ফ্রি ফ্রি ফ্রি! এক্কেবারে বিনামূল্যে মিলবে ফুচকা। তাও আবার যত খুশি তত খাও! তবে এমনি এমনি এমন সুযোগ মিলছে না। মানতে হবে বিশেষ শর্ত। কী বলছেন ফুচকা বিক্রেতা? আসুন শুনে নেওয়া যাক।
ফুচকা ভালবাসেন না, এমন মানুষ এ বাংলায় বিরল। অবশ্য বাঙালি কেন, ভারতের অন্যান্য রাজ্যেও এর কদর কম নয়। বিদেশেও খুঁজে পেতে ফুচকার দেখা মিলতে পারে। আর সেই ফুচকা যদি বিনামূল্যে খাওয়া যায়, তাহলে তো লাইন পড়বেই!
এমনিয়ে বিয়েবাড়ি বা কোনও অনুষ্ঠানে ফুচকার স্টল বসে। সেখানেও বিনে পয়সায় ‘যত খুশি তত খাও’! অফার সীমিত কয়েক ঘণ্টার জন্যই। তবে এখানে সারাজীবন বিনামূল্যে ফুচকা খাওয়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এক ব্যক্তি। পেশায় তিনিও ফুচকা বিক্রেতাই। তবে দোকানের সামনে সম্প্রতি একটা বোর্ড ঝুলিয়ে দাবি করছেন, এই দোকানে সারাজীবন বিনামূল্যে ফুচকা খেতে পারবেন যে কেউ। ঘোষণা দেখে যথারীতি লাইন জমেছে। অনেকেই কৌতুহলের সঙ্গে জানতে চাইছেন, এমনটা সত্যিই হচ্ছে কি না! কাউকে হতাশ না করে, ফুচকা বিক্রেতার দাবি, যা লিখেছেন তা একশোভাগ সত্যি। কিন্তু একটা শর্ত আছে। মানলে তবেই মিলবে বিনামূল্যের ফুচকা। আর এখানেই গল্পের মোড়।
ঠিক কী শর্ত দিয়েছেন ওই ফুচকা বিক্রেতা?
ঘটনা নাগপুরের। শহরের জনবহুল এলাকায় এই ফুচকার দোকান। ভিড়ও হয় ভালোই। শুধু জল ফুচকা নয়, আরও বিভিন্ন ধরণের ফুচকা এই দোকানে পাওয়া যায় হরেক স্বাদের হরেক রকমের সেইসব ফুচকার দামও আলাদা। তবে বিশেষ অফার দেওয়া হচ্ছে স্রেফ একরকমের ফুচকাতেই। সাধারণ টক জল দেওয়া ফুচকা। তবে একেবারে বিনামূল্যে তা মিলছে না। বিক্রেতার শর্ত একবারে ৯৯ হাজার টাকা দিলেই সারাজীবনের জন্য এই সুযোগ পাবেন ক্রেতারা। দিনে যতবার খুশি দোকানে আসা যাবে, যত খুশি ফুচকা খাওয়াও যাবে। তবে তার আগে টাকা দিয়ে ওই বিশেষ কার্ড বানিয়ে নিতে হবে। ইতিমধ্যেই এই বিশেষ শর্ত সোশাল দুনিয়ায় ভাইরাল। অনেকেই মনে করছেন, সবটাই প্রচারের কায়দা। এত টাকা একবারে ফুচকা খাওয়ার জন্য কেউ দেবেন না, এমনটাও দাবি করছেন অনেকেই। তবে বিষয়টা নিয়ে যে জোর চর্চা হচ্ছে, তা বলাই যায়।