অভয়ার জন্মদিনে পথে নামলেন চিকিৎসকরা। কলকাতার মিছিলে শামিল অভয়ার বাবা-মা। অগ্নিকাণ্ডের জেরে অগ্নিগর্ভ নারকেলডাঙা। বিধ্বংসী আগুনে মৃত ১, ভস্মীভূত অন্তত ৪০ ঝুপড়ি। থানার সামনে ধরনায় খোদ কাউন্সিলর। বিজাপুরে গুলির লড়াইয়ে খতম ৩১ মাওবাদী, পালটা আক্রমণে শহিদ ২ জওয়ান। দিল্লিতে ইস্তফা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অতিশীর। ইস্তফা দিলেন মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বিরেন সিং।
হেডলাইন:
বিস্তারিত খবর:
1. ৯ ফেব্রুয়ারি আর জি কর হাসপাতালের নির্যাতিতা চিকিৎসকের জন্মদিন। প্রয়াত মেয়েকে নিয়েই দিনভর ব্যস্ত রইলেন কন্যাহারা মা-বাবা। কথা ছিল, এদিন থেকে নতুন করে সুবিচারের লড়াই শুরু হবে। অভয়া নিজে যেমন কর্মদ্যোগী ছিলেন, তেমনই কর্মযজ্ঞ হবে তাঁর জন্মদিনে। সেইমতো রবিবার সোদপুর নাটাগড়ের পার্থপুর ও মহেন্দ্রনগর এলাকায় সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ‘অভয়া ক্লিনিক’ চলে। প্রচুর রোগী দেখা হয় ক্লিনিকে। ছিলেন অভয়ার মা-বাবাও। সেখানেই বাবা বললেন, ‘বিচার না পাওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাব।’ এদিকে, অভয়ার সুবিচারের দাবিতে রবিবার কলকাতায় কলেজ স্কোয়ার থেকে আর জি কর হাসপাতাল অবধি মিছিল করেন চিকিৎসকরা। তাতে যোগ দেন আমজনতাও। মিছিলে শামিল হন অভয়ার বাবা-মাও।
2. নারকেলডাঙার বস্তিতে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড। পুড়ে ছাই ৪০টিরও বেশি ঝুপড়ি। আগুন পুড়ে মৃত্যু একজনের। জানা গিয়েছে, মৃত হাবিবুল্লা মোল্লা ওই ঝুপড়িতেই থাকতেন। ঘুমের ঘোরে আগুন লাগার বিষয়টি বুঝতে পারেননি। ফলতে ঘরের মধ্যেই ঝলসে যায় তাঁর দেহ।
শনিবারের রাত ১০টা নাগাদ হঠাৎ আগুন লাগে খালপাড়ের ধারে নারকেলডাঙার ওই বস্তিতে। কিছুক্ষণের মধ্যেই ৩০টির বেশি ঝুপড়িতে ছড়িয়ে পড়ে আগুন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ১৬ টি ইঞ্জিন। এইসময় একের পর এক সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আগুনের তীব্রতা আরও বেড়ে যায়। আগুন নেভাতে দমকলের সঙ্গে হাত লাগান স্থানীয় বাসিন্দারাও। তবে রাতভরের চেষ্টার পরেও আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এদিকে, প্রশাসনিক গাফিলতির অভিযোগে রবিবার সর্বহারা এলাকাবাসী বিক্ষোভে শামিল হন। পরিস্থিতি পরিদর্শনে যান মেয়র ফিরহাদ হাকিম। রাজনীতি ভুলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন তিনি। কিন্তু মেয়র এলাকা ছাড়তেই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এরপরই স্থানীয় কাউন্সিলর শচীন সিং তাঁর অনুগামীদের নিয়ে পৌঁছে যান নারকেলডাঙা থানায়। সেখানে ধরনায় বসে পড়েন তাঁরা। এদিকে, তাঁকে দেখে এলাকার বিরোধী গোষ্ঠীরাও সেখানে পৌঁছয়। কাউন্সিলর তাঁদের দিকে আঙুল তুলে অভিযোগ করেন, এরা কুখ্যাত সমাজবিরোধী পাপ্পু খানের দলবল, তাঁকে খুনের ষড়যন্ত্র করছে। এনিয়ে পুলিশের সামনেই দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়। পরিস্থিতি সামলাতে গেলে পুলিশের সঙ্গেও তাঁদের সংঘর্ষ হয়। সবমিলিয়ে নারকেলডাঙ্গার পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ।
শুনে নিন বিশেষ বিশেষ খবর।