কল্যাণীতে বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে মৃত্যু ৪ মহিলার। ‘কেন্দ্রের বাজেট বাংলা বিরোধী, রাজ্যের উন্নয়ন রুখে দেওয়ার চেষ্টা’ বক্তব্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সঞ্জয়ের ফাঁসির দাবিতে রাজ্যের করা মামলা গ্রহণ করল না হাই কোর্ট। হিংসার বাংলাদেশে গুঁড়িয়ে গেল আওয়ামির জন্মস্থান। শান্ত হওয়ার বার্তা ‘নিষ্ক্রিয়’ ইউনুসের। আমেরিকা থেকে বিতাড়িত হওয়ার পথে ৪৮৭ ভারতীয়, জানাল ট্রাম্প প্রশাসন।
হেডলাইন:
বিস্তারিত খবর:
1. শুক্রবার কল্যাণী পুরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডের রথতলায় বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ। মৃত্যু হয় ৪ মহিলার। নিহতেরা হলেন বছর ষাটের বাসন্তী চৌধুরী এবং অঞ্জলি বিশ্বাস। বাকিরা পঁয়ত্রিশ বছর বয়সি রুমা সোনার এবং বছর চল্লিশের দুর্গা সাহা। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি উজ্জ্বলা ভুঁইয়া। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই ঘটনার পরই কল্যাণীর বিধায়ক অম্বিকা রায় এবং চাকদহের বিধায়ক বঙ্কিম ঘোষ ঘটনাস্থলে পৌঁছন। তাতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। অভিযোগ, তাঁদের লক্ষ্য করে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দিতে শুরু করেন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন বিধায়ক অম্বিকা রায়। তাঁর অভিযোগ, কারখানা চত্বরে দমকল ঢোকার রাস্তা নেই। রাস্তা বেহাল। তাই এমন পরিস্থিতি হয়েছে। কেন এতদিন ধরে বাজি কারখানা চললেও তা সকলের এড়িয়ে গেল – সেই প্রশ্নও তোলেন বিজেপি বিধায়ক। এই ঘটনায় এনআইএ তদন্তের দাবি তুলেছেন তিনি। ঘটনায় জেলা পুলিশের কাছ থেকে রিপোর্ট তলব করেছে নবান্ন। গ্রেপ্তার কারখানার মালিক খোকন বিশ্বাস।
2. নির্মলা সীতারমণের বাজেটে বাংলার প্রতি বঞ্চনা ইস্যুতে কেন্দ্রকে ঝাঁজাল আক্রমণ তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। লোকসভায় দাঁড়িয়ে অভিষেক দাবি করলেন, নির্মলা সীতারমণ যে বাজেট পেশ করেছেন, সেটা বাংলা বিরোধী। সুপরিকল্পিতভাবে বাংলার উন্নয়নযোগ্যকে রুখে দেওয়ার চেষ্টা। সংসদে জোরালো ভাষণে তথ্য তুলে তাঁর দাবি, পাশের রাজ্য বিহারে শুধু বিজেপি সরকারে আছে বলে বিহার বোনাঞ্জা পাচ্ছে। আর বাংলা পাচ্ছে বঞ্চনা। সংসদে অভিষেক দাবি করলেন, দেশে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর নামে ‘হাফ ফেডারেলিজম’ চলছে। অর্থাৎ, বিহার এবং বাংলায় বিজেপির ১২ জন করেই সাংসদ আছেন। কিন্তু বিহারে বিজেপি শাসন থাকায় সেখানে মিলছে বোনাস। আর বাংলায় বিজেপি বিরোধী শাসন, তাই অর্থনৈতিক বঞ্চনা ছাড়া আর কিছুই পাচ্ছে না। অভিষেকের দাবি, “বাংলার জন্য উল্লেখযোগ্য একটিও আর্থিক প্যাকেজ বা বড় প্রকল্প ঘোষণা করা হয়নি। উলটে বাংলার বিভিন্ন প্রকল্পে কেন্দ্রের কাছে ১.৭ লক্ষ কোটি টাকা পাওনা। এটা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আর্থিক অবরোধ। বাংলা মাথা নোয়াবে না। নতুন করে সম্পদ সৃষ্টি করব, বাংলা নিজের শক্তিতে উন্নতি করবে।”
শুনে নিন বিশেষ বিশেষ খবর।