বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির বাড়ি ধূলিসাৎ, আগুন হাসিনার বাসভবনেও। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ, বাণিজ্য সম্মেলনের মাঝেই কাজ শুরু দেউচা-পাচামিতে। মাধ্যমিকের অ্যাডমিট নিয়ে জটিলতায় বহু। পোর্টাল খুলে দ্রুত সমাধানের নির্দেশ হাই কোর্টের। নৈহাটিতে তৃণমূল কর্মী খুনে অর্জুন-যোগ। ভিনরাজ্য থেকে গ্রেপ্তার আরও ১, এখনও অধরা মূলচক্রী। অভিষেক ম্যাচেই উজ্জ্বল হর্ষিত। শামি-জাদেজাদের বোলিংয়ে ২৫০-র মধ্যে গুটিয়ে গেল ইংল্যান্ড।
হেডলাইন:
বিস্তারিত খবর:
1. ইতিহাস মুছে ফেলতে তৎপর বাংলাদেশ। ‘বিপ্লবী ছাত্র’ দলের হামলায় ধূলিসাৎ বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির বাড়ি। একইসঙ্গে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও কারমাইকেল কলেজে শেখ মুজিবুরের ম্যুরাল ভাঙচুর করা হয়েছে। ময়মনসিংহ-সহ বিভিন্ন স্থানে শেখ মুজিবরের মূর্তি ভাঙচুর হয়েছে। শুধু তাই নয়, ধানমন্ডিতে শেখ হাসিনার বাসভবন সুধা সদনেও আগুন দিয়েছে একদল উন্মত্ত জনতা।
বুধবার সোশাল মিডিয়ায় অভিযানের ডাক দেয় বিপ্লবী ছাত্রদল। সেইমতো ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িটির সামনে জমা হন আন্দোলনকারীরা। প্রথমেই মুজিবের স্মৃতিবিজড়িত ওই বাড়ি তথা জাদুঘরে গিয়ে বাইরের ফটক ভেঙে ফেলে তারা। এরপর বাড়ির ভিতরে ঢুকে শুরু হয় ভাঙচুর। বৃহস্পতিবার সকালেও ধ্বংসযজ্ঞ অব্যাহত ছিল। তবে ইউনুস প্রশাসন উন্মত্ত ছাত্র-জনতা দলকে আটকায়নি। বরং বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে এই ঘটনায় প্রচ্ছন্ন মদত দেওয়ার অভিযোগ উঠছে ইউনুস সরকারের বিরুদ্ধে। এদিকে, ভারতে বসে এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ইউনুসকে ‘বেইমান’ বলে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন শেখ হাসিনা। চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বলেছেন, ইতিহাস মোছা যাবে না। আর তাঁর এই বক্তব্যে লাগাম পরাতে এবার ভারতের উপর চাপ বাড়াল বাংলাদেশ। ঢাকার তরফে ফের নয়াদিল্লিকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। ইউনুস সরকারের দাবি, হাসিনাকে ‘উসকানিমূলক’ মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকতে হবে। পাশাপাশি, তলব করা হয়েছে ঢাকার ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকেও।
2. রাজ্যের শিল্প মানচিত্রে নয়া সংযোজন। বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের মাঝেই মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বীরভূমের দেউচা-পাচামিতে শুরু হয়ে গেল কাজ। বৃহস্পতিবার জেলাশাসক, পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে হল ভিতপুজো। এ বিষয়ে জেলাশাসক জানিয়েছেন, পরিকাঠামো একেবারে প্রস্তুত। চাইলেই ব্যাসল্ট, ব্ল্যাকস্টোন উত্তোলন করতে পারবেন এলাকাবাসী। এদিন সকাল থেকে দেউচা-পাচামি প্রকল্পকে ঘিরে রেখেছিলেন স্থানীয় মানুষজন। অভিযোগ ছিল, যথার্থ পুনর্বাসন, চাকরি ছাড়া কাজ শুরু করা যাবে না। কিন্তু জেলাশাসক স্পষ্টই জানিয়েছেন, এখানকার মা-বোনরা খুব খুশি। তাঁদের ৯০ শতাংশ এখানে কাজের সুযোগ পাচ্ছেন। পুনর্বাসন বা চাকরি নিয়ে কারও কোনও অসন্তোষ নেই। এদিকে, রাজ্যের এই কর্মঠ ছবি তুলে ধরা দেউচা-পাচামির মানুষজনকে স্যালুট জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, ‘আগামী ১০০ বছর আর কাউকে চিন্তা করতে হবে না।’ বৃহস্পতিবার বাণিজ্য সম্মেলনের সমাপ্তি ভাষণে এভাবেই সকলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। অষ্টম BGBS থেকে রাজ্যের ঝুলিতে লগ্নি কত এল, তাও প্রকাশ্যে তুলে ধরেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
শুনে নিন বিশেষ বিশেষ খবর।