চার সংখ্যাটির সঙ্গে এক অদ্ভুত যোগ রয়েছে ফেসবুকের

Published by: Sankha Biswas |    Posted: February 4, 2021 5:06 pm|    Updated: February 4, 2021 9:10 pm

Published by: Sankha Biswas Posted: February 4, 2021 5:06 pm Updated: February 4, 2021 9:10 pm

সেনাশাসন শুরু হয়েছে মায়ানমারে। বিষয়টিকে ভাল চোখে দেখছে না জো বাইডেন। মায়ানমার সরকারকে যে–ন্যূনতম অর্থনৈতিক সাহায্য তাঁরা দিতেন, তা বন্ধ করে দেবেন বলে ইচ্ছেপ্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে মায়ানমারের দণ্ডমুণ্ড বিধায়ক আন সাং সু কি–র মতে ফেসবুকই হল যত নষ্টের গোড়া। এই ‘দুষ্টু’ প্ল্যাটফর্মটিই নাকি একা হাতেই তাঁদের দেশের ভাবমূর্তি সারা বিশ্বের কাছে নষ্ট করে দিচ্ছে। অতএব, ফেসবুকের শিকেয় পড়েছে তালা। ফেসবুক ব্যবহারে অনির্দিষ্টকালীন নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে মায়ানমার প্রশাসন।

ফেসবুক। এমনই দুর্বিনীত একখানা প্ল্যাটফর্ম, যার জেরে অতিষ্ঠ রাষ্ট্রনায়করা। যখনই তা তাঁদের স্বৈরাচারের নগ্নতা চোখে আঙুল দিয়ে দেখায়, তখনই তাতে সজোরে কোপ ফেলেন তাঁরা। পালের গোদা ঠাহরে বন্ধই করে দেওয়া হয় তা। যেমন করলেন মায়ানমারের সু কি। বছরের দ্বিতীয় মাস শুরু হতে না হতেই রাজনৈতিকভাবে সদা উত্তপ্ত দেশটি লাগাম পড়ালো ফেসবুকের পায়ে। অথচ ঘটনাচক্রে এই মাসেই জন্মদিন ফেসবুকের।

৪–এর গুণিতক ২৮ দিনে তৈরি হওয়া একটি মাস। মানে মাসের দিনসংখ্যার সঙ্গে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ৪ সংখ্যাটি। ‘ফেসবুক’ শব্দটিতেও রয়েছে ইংরেজির ৮টি অক্ষর। আবারও ৪–এর গুণিতক। এই মাস ও এই সংখ্যা কীভাবে জড়িয়ে গেল ফেসবুকের নাড়ির সঙ্গে?

আসুন, ঝলকে শুনে নেওয়া যাক সেই ইতিহাস।

‘ফেসম্যাশ’।

নামটা এখন কম–বেশি সকলের কাছেই পরিচিত। যাঁদের কাছে নয়, তাঁদের জানিয়ে রাখি, এই ‘ফেসম্যাশ’ অ্যাপই একপ্রকার বলা যেতে পারে ‘ফেসবুক’–এর অগ্রজ। ফেসবুকের জন্মদিনে তার ‘বড়ভাই’কে অস্বীকার করা খানিক অনৈতিক নয় কি?

সাল: ২০০৩। স্থান: হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়। সতীর্থদের ডেটাবেস হ্যাক করে ‘ফেসম্যাশ’ বানান মার্ক জুকারবার্গ। তখনও তিনি ‘দ্য’ জুকারবার্গ নন। তখনও জানেন না, বিশ্ববাসীর জনসংযোগের কনসেপ্টকে এফোঁড়–ওফোঁড় করে একটি নীল–সাদা বিপ্লব আসতে চলেছে শীঘ্রই; যার হোতা তিনি নিজে! ‘ফেসম্যাশ’ খানিক ডেটিং অ্যাপ হিসাবে কাজ করত। এর উদ্দেশ্য ছিল: হার্ভার্ডের আকর্ষণীয় ছাত্রছাত্রীদের খুঁজে বের করা। ব্যবহারকারীরা সংশ্লিষ্ট ছাত্রছাত্রীদের দু’জনের ছবি পাশে রেখে আকর্ষণীয়তার ভিত্তিতে তাদের তুল্যমূল্য নির্ধারণ করত। ‘হট অর নট’ ভোট দেওয়া যেত। দু’জনের মধ্যে সর্বাধিক ভোটপ্রাপ্তকে আবার আরেক সুন্দর ছাত্র বা ছাত্রীর সঙ্গে তুলনা করা হত।  ভোর সাড়ে চারটেয় ওয়েবসাইটটি বানানো শেষ করেন জুকারবার্গ। রাত সাড়ে দশটা পর্যন্ত সক্রিয় ছিল সাইট। ইতিমধ্যেই ৫০০ জনের মতো ছাত্রছাত্রী তা ব্যবহার করে ফেলেছে! তুলনা করে ফেলেছে সাড়ে ২৩ হাজারের উপর ছবির!

কিন্তু ব্যবহারকারীদের ছবিগুলো পেলেন কোথা থেকে তরুণ জুকারবার্গ। শুনুন…

লেখা: সোহিনী সেন
পাঠ: শ্যামশ্রী সাহা
আবহ: শঙ্খ বিশ্বাস

পোল