এভারেস্ট থেকে ধৌলাগিরি– হিমালয়ের একাধিক শৃঙ্গে কোভিডের ভয়াবহ প্রকোপে বিপর্যস্ত কাঠমান্ডু-সহ গোটা নেপাল

Published by: Susovan Pramanik |    Posted: May 14, 2021 3:47 pm|    Updated: May 14, 2021 3:47 pm

Published by: Susovan Pramanik Posted: May 14, 2021 3:47 pm Updated: May 14, 2021 3:47 pm

যত কাণ্ড এইমুহূর্তে কাঠমান্ডুতেই! করোনার থাবা থেকে বাদ পড়েনি হিমালয় পর্বতমালাও। বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট, সপ্তম সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ধৌলাগিরি-সহ নেপালে অবস্থিত সামিটযোগ্য হিমালয়ের প্রায় সব শৃঙ্গেই পৌঁছে গিয়েছে মারণ ভাইরাস। বেস ক্যাম্প থেকে হেলিকপ্টারে করে অভিযাত্রীদের উড়িয়ে আনা হচ্ছে কাঠমান্ডুতে। স্থানীয় হাসপাতালগুলিতে ভর্তি অসংখ্য করোনা পজিটিভ অভিযাত্রী, শেরপা, এক্সপিডিশন-গাইড। এক্সপিডিশন থেকে লাভের কথা মাথায় রেখেই নেপাল সরকার প্রাথমিকভাবে এ বিষয় নিরুত্তাপ ছিল। এভারেস্ট, ধৌলাগিরি, লোৎসের বেসক্যাম্পে করোনা সংক্রমণের তথ্য প্রকাশ পেতেই খানিক কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েছে ভারতের পড়শি দেশ। এমনকী, এপ্রিলের শুরুর দিকেও নেপালে দিনে ১১০০ জন করে সংক্রমিত হচ্ছিলেন। সম্প্রতি দৈনিক সংক্রমণের মাত্রা ছাড়িয়েছে সাড়ে আট হাজারের অধিক। বিশেষজ্ঞদের অভিমত, খুব শিগগিরই কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়তে চলেছে দেশটিতে। তবে এত কিছুর মধ্যেও পর্বতারোহণ বন্ধ করা নিয়ে কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছয়নি কে. পি. ওলি প্রশাসন। অবস্থা শোচনীয়।
 যা দেখা যাচ্ছে, বেস ক্যাম্পগুলি একপ্রকার আইসোলেশন জোনে পরিণত হয়েছে। বেশ কয়েকটি হেলিকপ্টার স্ট্যান্ডবাইতে রাখা হয়েছে অভিযাত্রীদের কাঠমান্ডু ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য।
এবছর এক্সপিডিশন শুরু হতে না হতেই বেস ক্যাম্প থেকে একে একে আসতে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর আসতে থাকে। প্রথমে এভারেস্ট বা তার ‘সিস্টার মাউনন্টেন’ তথা বিশ্বের চতুর্থ উচ্চতম শৃঙ্গ লোৎসে সামিট থেকে। তারপর ধৌলাগিরি থেকে। যদিও ‘নেপাল মাউন্টেনিয়ারিং অ্যাসোসিয়েশন’ এখনও পর্যন্ত মাত্র চারটি করোনা কেসকে মান্যতা দিয়েছে। তার মধ্যে তিনজন পর্বতারোহী। একজন প্রদর্শক বা শেরপা। নেপাল সরকারও আশ্চর্যভাবে নিরুত্তাপ। নেপালের পর্যটন বিভাগের প্রধান মোহন বাহাদুরও কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে নিরুত্তর। যেন কিছুই হয়নি! নেপাল সরকাররের দাবি, উচ্চতা মানিয়ে নেওয়ার সমস্যা বা হাই অল্টিচুড প্রবলেম, শ্বাসকষ্ট, হাঁচি, কাশি, ঠান্ডা লাগা অভিযাত্রীদের মধ্যে সাধারণ ব্যাপার। পদক্ষেপ বলতে এক ১৪ মে পর্যন্ত সমস্ত আন্তর্জাতিক উড়ান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এক্সপিডিশন বন্ধ করা নিয়ে এখনও মুখ খোলেনি সরকার।
কীভাবে মারণ ভাইরাসের শিকার হল হিমালয়?
শুনে নিন…

লেখা: সোহিনী সেন
পাঠ: শঙ্খ বিশ্বাস
আবহ: শঙ্খ বিশ্বাস

পোল