কেন তামিলনাড়ুর ঐতিহ্যবাহী ‘জাল্লিকাট্টু’র নামে কেরলের সিনেমা? অস্কারের দৌড়ে ঢুকে পড়া ভারতীয় ছবিতে কী বার্তা দিলেন পরিচালক!

Published by: Sankha Biswas |    Posted: November 30, 2020 4:50 pm|    Updated: November 30, 2020 4:50 pm

Published by: Sankha Biswas Posted: November 30, 2020 4:50 pm Updated: November 30, 2020 4:50 pm

কসাইদের হাত থেকে পালিয়েছে ইয়াব্বড় একটা বন্য মহিষ। স্থানীয় গ্রামের মাংসবিক্রেতা,যে সেই মহিষটাকে কাটার দায়িত্বে ছিল, সে তো বটেই, তার সাথে গ্রামের প্রায় সবাই মহিষটাকে ধরতে ছুট লাগিয়েছে। যে যার নিজের স্বার্থ নিয়েই। সে মহিষ ছাড়া পেয়ে তো ভয়ংকর হয়ে উঠেছে! রাস্তাঘাট, দোকানপাট তছনছ করতে করতে ছুটেছে জঙ্গলের দিকে। আর গ্রামের মানুষ– মানুষ না বলে শুধুমাত্র পুরুষ বলাই ভাল, যারা পশুর চেয়ে কোনও অংশে কম ভয়ংকর নয়, দৌড়েছে তাকে ধরতে।

মালয়লম ছবিজাল্লিকাট্টু, এই বছর ২৭টি অন্যান্য ভাষার ভারতীয় ছবির মধ্যে থেকে ভারতের তরফে ‘অফিশিয়াল অস্কার এন্ট্রি’।

কিন্তু ছবিতে তো শুধুমাত্র মূল গল্প থাকে না, থাকে তো কতকিছুই। তাই এই মূল গল্পের বাইরে অসংখ্য ছোট ছোট গল্প ঘটতে দেখি আমরা। মেয়ের বিয়ে দিতে মহিষের মাংস জোগাড় করতে গিয়ে মাথা খারাপ করে ফেলে একজন। যার বিয়ে হওয়ার কথা সে প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যেতে চায় এবং গ্রামবাসীরা তাদের ধরে ফেলে। পুলিশ অফিসার, যে মহিষকে ধরতে শেষমেশ গ্রামবাসীদের সাথে যোগ দেয়, সে বউয়ের উপর বিশ্রী ব্যবহার করতে থাকে। সবমিলিয়ে দেড় ঘন্টার জমজমাট ব্যাপার।

কিন্তু কেরলের পটভূমিতে ঘটা ‘জাল্লিকাট্টু’ নামক তামিলনাড়ুর ঐতিহ্যবাহী, বিখ্যাত সেই খেলার কী সম্পর্ক? ছবির নাম এমন একটা খেলার নামে কেন রাখলেন নির্মাতারা যা নিয়ে তিন বছর আগেও তোলপাড় হয়ে গিয়েছে কেরলের পড়শি রাজ্যটি? প্রতিবাদ বিক্ষোভে ভেসে গিয়েছে; যাকে অনেকে তুলনা করেছেন হিন্দি’কে ভারতের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণা করার বিরূদ্ধে যে–প্রতিবাদ হয়েছিল, তার সঙ্গে। জাল্লিকাট্টু তো সাধারণভাবে তামিলনাড়ুর ঐতিহ্যবাহী খেলা, যেখানে একটি ষাঁড়কে ছেড়ে দেওয়া হয় তার মাথায় কিছু সোনা বা রূপোর মুদ্রা বেঁধে দিয়ে। খেলোয়াড়েরা চেষ্টা করে কে সবার আগে সেই ষাঁড়ের মাথা থেকে উদ্ধার করতে পারবে সেই মুদ্রা।

তারপর? শুনুন…

 

 

লেখা: সায়ন্তন দত্ত
পাঠ: শ্যামশ্রী সাহা
আবহ: শঙ্খ বিশ্বাস

পোল