প্রাক্তনীর সঙ্গে আজও সম্পর্ক অটুট অমিতাভ বচ্চনের!

Published by: Sankha Biswas |    Posted: February 26, 2021 2:22 pm|    Updated: February 27, 2021 5:20 am

Published by: Sankha Biswas Posted: February 26, 2021 2:22 pm Updated: February 27, 2021 5:20 am

‘রোজ সকালে কলকাতার রাস্তা এখনও জল দিয়ে ধোওয়া হয়?’

বহুদিন পর কলকাতায় পা দিয়েই সাংবাদিক বন্ধুকে জিজ্ঞেস করেছিলেন অমিতাভ বচ্চন। কলকাতা নিয়ে এতটাই নস্টালজিক তিনি । কলকাতার কথা বলতে গিয়ে তাঁর মুখে চোখে উচ্ছ্বাস ফুটে ওঠে। বলেন, ‘কলকাতা আমার প্রিয় শহর। এখানে এলে আমার বার বার ফেলে আসা দিনগুলোর কথা মনে পড়ে। আমি নস্টালজিয়ায় ভুগি।’ রাসেল স্ট্রিট, ভবানীপুর, আলিপুর, মেট্রো, লাইটহাউস, ভিক্টোরিয়া স্মৃতির সরণি বেয়ে ফিরে ফিরে আসে।

বি.এসসি-তে ভাল রেজাল্ট করতে পারেননি।  এদিকে বাবার বয়স বাড়ছে, বাড়ির বড় ছেলে তিনি, সংসারে সাহায‌্য তাঁকে করতেই হবে। দুশ্চিন্তায় রাতে ঘুম নেই। দিল্লি, বোম্বে কোথাও চাকরি পাচ্ছেন না। এই রেজাল্টে ভাল চাকরি পাওয়া অসম্ভব। ভরসা নিজের কণ্ঠস্বর।  ‘বিবিধভারতী’তে তখন অ‌্যানাউন্সার নেওয়া হচ্ছিল। অডিশন দিলেন অমিতাভ। যে ব‌্যারিটোন কণ্ঠস্বরে মোহিত আপামর জনতা সেই ভয়েসকেই বাজে বলে বাতিল করে দিলেন নির্বাচকরা। শেষ আশাটাও ব‌্যর্থ হল। হতাশা, ব‌্যর্থতা, অভিমান— এই শব্দগুলোই তখন নিত‌্যসঙ্গী। এইসময় জানতে পারলেন কলকাতার বিভিন্ন কোম্পানিতে এক্সিকিউটিভ পোস্টে লোক নেওয়া হচ্ছে।

সেদিনই এক মন স্বপ্ন নিয়ে বাবা-মার নিশ্চিন্ত আশ্রয় ছেড়ে তিলোত্তমার হাত ধরেছিলেন। মাত্র একুশ বছর বয়সে চেনা শহর ছেড়ে ইন্টারভিউ দিতে চলে এলেন কলকাতায়। ভ‌াগ‌্যলক্ষ্মী যেন এখানেই অপেক্ষা করছিলেন। সোয়া ছ’ফুট লম্বা, পাতলা, ছিপছিপে লাজুক ছেলেটা স্মার্টনেস আর তুখোড় ইংরেজি বলতে পারার কারণে চাকরি পেয়ে গেলেন নামী সংস্থায়। শুরু হল পথচলা। বলিউড শাহেনশা, বিগ-বির কেরিযারের ভিত ছিল এই কলতাকারই বুকই। যৌবনের পথচলার শুরুও এই তিলোত্তমার হাত ধরে।

তখন কলকাতার চেহারাটা এখনকার মতো ঝাঁ চকচকে ছিল না। রাস্তার মাঝে মাঝে গর্ত আর লোডশেডিং— এটাই ছিল শহর কলকাতার চেনা ছবি। তাই আজকের কলকাতায় পা রাখলেও খুঁজে বেড়ান তাঁর চেনা সুন্দরী, বিদগ্ধা তিলোত্তমাকে। ছুটির দিনে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা আর মাঝে মাঝে নাটক দেখা, একা একা ভিক্টেরিয়ায় ছুটে যাওয়া… সেই দিনগুলো কি ভোলা যায়!

বাকিটা শুনুন উপরের প্লে বাটনে ক্লিক করে।

লেখা: শ্যামশ্রী সাহা
পাঠ: কোরক সামন্ত
আবহ: শঙ্খ বিশ্বাস

পোল